Home / Thailand sexy online chat / Bd singer akhi alamgir porn

Bd singer akhi alamgir porn dating woman taller than you

– জানি না,একটু পড়তে বসবো। তারপর টিউশনিতে যাব। ওখান থেকে ভালো লাগলে আসবো।–না, না, ভালো লাগার কিছু নাই। তুমি আসতেছ এটাই ফাইনাল ডিসিশন। আমি আর কিছুই শুনতে চাচ্ছি না।–তাহলে আসতে আসতে বিকেল হতে পারে।–নো প্রবলেম। তাইলে দেখা হবে তখন। খোদা হাফেজ, ভালো থাইকো।–ঠিক আছে, খোদা হাফেজ।এই বলে আমি কলটা কেটে দিলাম। প্রায় পাঁচ মিনিটের কল ছিল সেটা। এই পাগলীটা যদি আমার জীবনে না আসত তাহলে হয়ত আমি মেয়ে মানুষ কি জিনিসটাই জানতাম না। ওর সাথে পরিচয়টাও হয়েছিল হঠাৎ করে। সেই ঘটনাটা একটু বলি।আমি গিয়েছিলাম DMC তে একটা ভর্তি ফর্ম তুলতে। সেখানে গিয়ে ফর্মের কিউ দেখে আমারতো মাথা খারাপ হয়ে যাওয়ার অবস্থা। বুদ্ধি করলাম কোন স্টুডেন্টকে হাত করার । তাহলে হয়ত আমার কিউটাতে দাঁড়াতে হবে না। আমি একটা স্টুডেন্টের সার্কেলের পাশে গিয়ে ইন্টারাপ্ট করলাম। তখন মনে হয়েছিল ফ্রেন্ডদের সার্কেল। এক্সকিউজ মি বলতেই সপ্না ঘুরে আমার দিকে তাকাল। আমি পুরা বিষয়টা তাকে বলতেই ও একটা হাসি দিয়ে বলল, “চলেন আমার সাথে।” তখনও আমি জানি না যে আমি DMC’র প্রিন্সিপ্যাল এর মেয়ের সাথে কথা বলতেছিলাম।অফিস রুমে যাবার পথে ও অনেক কথা বলছিল। আমি শুধু হাঁ হু করছিলাম। সপ্নার চেহারাটা একটু লম্বাটে টাইপের গোল। কিছুটা প্যারাবোলা টাইপের। আর নাকটা খাড়া। যখন ও কথা বলছিল তখন এত দ্রুত হাত দুটো নাড়ছিল দেখে মনে হচ্ছিল ও স্ট্রিট ডান্সের প্র্যাকটিস করছে। আমার এখনও মনে আছে, ঐ দিন ও দুজনের গায়ে হাত লাগিয়ে দিয়েছিল। এজন্য ওকে স্যরিও বলতে হয়েছিল।সপ্নাকে সুন্দরী বলা যাবে কিনা সেটা আমি জানি না। তবে চেহারাটা দেখে কেমন যেন শান্তি শান্তি লাগে। মনের মাঝে একটা বিচিত্র আনন্দও অনুভূত হয়। এটার কারণ কি সেটা আমি এখন পর্যন্ত বুঝতে পারি নাই। সপ্নার হাইট সাধারণ মেয়েদের থেকে একটু বেশি। কিন্তু আমার থেকে চার ইঞ্চি শর্ট। প্রথম দেখায় ওকে মনে হয়েছিল পাঁচ ফুট পাঁচ হবে হয়ত। পরে জানলাম ও পাঁচ ফুট সাড়ে ছয়। লম্বাই বলা যায়। আমার ফর্মটা কোন ঝামেলা ছাড়াই ও কিনে দিল। এই জন্য থ্যাংকস, ট্যাংকস দিলাম। তারপর ফোন নাম্বারটাও চাইলাম, পরে এমন ফর্ম তুলতে কাজে লাগবে এই ভেবে। কিন্তু কে জানত এই মেয়েই যে আমার বউ হবে?ফোন নাম্বার চালাচালির পর ক্যাম্পাসে আসলাম। আসতে না আসতেই দেখি সপ্না কল দিছে। বলল ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতে। যেই মানুষটা আমার,চার সাড়ে চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ানোর কষ্ট বাঁচায় দিল তার জন্য মিনিমাম কৃতজ্ঞতা দেখাতে হলেও আমার সেইদিন তার রিকোয়েস্টটা এক্সেপ্ট করা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। গেলাম দেখা করতে। সারা দিন ঘুরলাম আমরা। অনেক এনজয় করেছিলাম। এমন করে ও প্রায়ই আমাকে কল দিত আর আমরা ঘুরতে যেতাম। পরে অবশ্য শুধু কৃতজ্ঞতা থেকে যাই নাই, ভালো লাগত তাই যেতাম। আমাদের মাঝে বেশ ভালই একটা রিলেশান বিল্ড আপ করেছিল। কিন্তু কিভাবে যে সেটা প্রেম হয়ে গেল সেটা আমার মাথায় ঢুকে নাই।একদিন সপ্না আমারে হাউমাউ কইরা কানতে কানতে কয় ও নাকি আমারে ভালবাসে। আমার আসলে বিয়ার আগে প্রেম জিনিসটা ভয় লাগত। পরে দেখা যাবে আমি যেই মেয়েটারে এতদিন ভালবাসতাম হ্যায় আমার ফ্যামিলিরে নেগলেক্ট করতাছে। যেটা আর যেই সহ্য করতে পারুক আর নাই পারুক আমি একদম সহ্য করতে পারি না। আরেকটা কারণ ছিল আমার মা। আমার আম্মু যদি না থাকত তাহলে হয়ত আমি আজকে এত ভালো অবস্থায় থাকতে পারতাম না। সত্যি বলতে কি আমাদের পরিবারটা চলত আমার আম্মার উপর। আব্বু কিছুই করত না। ডালে ডালে জীবন কাটাইত। আর আম্মা আমারে চাকরী কইরা আইন্যা খাওয়াছে,পড়াইছে,বড় করছে। তাই আম্মুরে কষ্ট দিতে এমন কি একটা কথা এদিক সেদিক করতেও খুব ভয় লাগত। আর তাছাড়া এস.এস.সি পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ কইরা মানে আশানুরূপ রেজাল্ট করতে না পাইরা আম্মুরে খুব কষ্ট দিছিলাম। যদিও ইচ্ছা করে খারাপ করি নাই। হয়ত এটা একটা Irony fate ছিল। কিন্তু তখন আর আম্মুর মুখের দিকে লজ্জায় তাকাইতে পারি নাই। অবশ্য আম্মু কখনও আমাকে বকাঝকা করেছেন বলে আমার মনে পড়ে না,এমনকি আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধেও কখনও যান নাই। তাই প্রেম করলে হয়ত কিছু বলতেন না,তবুও আমার বিয়ে তো আর শুধু আমার বিয়েই না, আম্মুর ছেলেরও বিয়ে। তারও পছন্দ থাকতে পারে। তাই কোন দিন প্রেম ট্রেম করব চিন্তা করি নাই।কিন্তু এদিকে আবার সপ্নার কান্নাকাটি চলতাছিল। সব ভাইব্বা,চিন্তা কইরা সপ্নারে কইলাম, “প্রেম করতে পারি তবে তোমারে এমন হইতে হইবো যেন আম্মু তোমারেই তার ছেলের বউ হিসেবে পছন্দ করে, আর যদি আম্মা মানা করে তাহলে কিন্তু আমি কিছুই করতে পারুম না।।” ও কইল, “ঠিক আছে।” ব্যাস শুরু হইল আমাগো প্রেম।এখন আমাগো রিলেশানের সাত বছর চলতাছে। আর বিয়ের দুই বছর আজকে পূর্ণ হইল। এখন সপ্না আম্মার অনেক প্রিয় হয়ে গেছে। সারাদিন দুইজনে অনেক মজা করে। আর আম্মা সুখে আছে বলে আমিও খুশি। যাই হোক এবার আসি কাহিনীতে।সপ্নার বাসায় ঐদিন গেলাম বিকেল সাড়ে পাঁচটায়। মার্চ মাসের গরম চলছিল। ঐ দিন প্রচন্ড গরমও পড়েছিল। তবে সুন্দর ঝিরঝিরে বাতাস ছিল বিকেলটাতে। গায়ের টি শার্ট টাও ঘামে ভেজা। যার জন্য কিছুটা ঠাণ্ডা লাগছিল । সপ্নাদের ফ্ল্যাটটা ছিল বনশ্রীতে। এখন অবশ্য ওটা ভাড়া দেয়া। ফ্ল্যাটটায় একটুও কার্পণ্য করে নাই ডিজাইনার। বিশাল বিশাল রুম, প্রত্যেকটার সাথে একটা বিশাল ব্যলকনি। এর মাঝে ওদের বাসা আবার বারো তালায়,সেকেন্ড টপ ফ্লোর। মানে আলো বাতাসের কোন অভাব নাই। বাসাটার ইন্টেরিওর ডিজাইনিংটাও খুব যত্ন করে করা হয়েছে। আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর লাগে ওদের ওয়াশরুম গুলা। ফ্ল্যাটটাতে যেরকম টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছিল সেটা তখন খুব রেয়ার ছিল। আংকেল অনেক শৌখিনও ছিলেন,তার উপর টাকা পয়সার কোন অভাব ছিল না। হয়ত এ জন্যই এত সুন্দর একটা বাসা খুঁজে পেয়েছিলেন। তখন ভাবতাম কবে এমন একটা ফ্ল্যাটের মালিক হতে পারবো। পরে যখন টাকা পয়সা হইছে তখন আর ঐরকম ফ্ল্যাট পাই না। সব কমার্শিয়াল। ঢাকা, চট্টগ্রাম সব খুইজা ফালাইছি কিন্তু পাই নাই। আব্বু মানে আমার শ্বশুর যখন জানলেন ওটা আমার খুব প্রিয় তখন অবশ্য আমাকে ফ্ল্যাটটা দিয়ে দিতে চেয়েছিলেন । কিন্তু লজ্জায় পড়ে মানা করেছিলাম ।আমি লিফট থেকে নেমে সপ্নাদের বাসায় কল বেল দিতেই ও দরজা খুলল। একটা টি শার্ট আর ট্রাউজার পড়নে ছিল। আমি বাসাতে ঢুকে ব্যাগটা রেখে ড্রইং রূমে সোফাতে গা এলিয়ে দিলাম। ও আমার সামনে এসে মিটমিট করে হাসছিল। আমি এগুলা দেখে দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। তাই নির্লিপ্ত ছিলাম।–কি খাবা?এত্ত আওয়াজ তো করি নাই। এই কথাগুলা ওর কানের পাশ দিয়াও যাইতো না। মাঝে মাঝে ইচ্ছা হইতো তুইলা একটা আছাড় দেই। কিন্তু পরে আর দেয়ার দরকার হয় নাই। কারণ ওর ঘটঘটানি বন্ধ করার একাটা সুন্দর উপায় বের করেছিলাম।আমি বিছানায় শোয়া থেকে উঠে বসলাম । আমাকে উঠতে দেখে,শাওন,আমার রুমের সেই ছোট ভাই বলল, “ ভাইয়া,ঘুম ভাঙল?”চোখ কচলাতে কচলাতে বিরক্তি মিশ্রিত কণ্ঠে বললাম, “হ্যাঁ,ভাঙল। দরজাটা খোলা রাখছো কেন? ”–“আরে ভাইয়া,সেই কথাই তো বলতে চাচ্ছিলাম। আমাদের ক্লাস আগামী সাত দিন বন্ধ থাকবে মানে ক্লাস সাসপেন্ড করা হয়েছে।” শাওন দাঁত গুলা বের করে বলল।আমি ভেতরে ভেতরে ভীষণ খুশি হলাম। গত কয়েকদিন হতে আম্মুকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছিল। ভাবছিলাম বন্ধটাতে যাওয়া যাবে চট্টগ্রাম। আমার আম্মা ওখানেই ছিলেন তখন। বাহিরে খুশিটা দেখালাম না। নির্লিপ্ত কণ্ঠে বললাম, “তাই নাকি?–ইন্টারেস্ট আছে, কিন্তু কোন আইডিয়া প্রায় শূন্যের কোঠায়। তোমার কি ছেলেদের ব্যাপারে আছে ইন্টারেস্ট ?

Bd singer akhi alamgir porn-21Bd singer akhi alamgir porn-4

”–না,না, আমি এত গুলা খেতে পারবো না। আমি শুধু কাস্টার্ডটা আর নুডুলসটা খাবো।–ঠিক আছে,আগে শুরু কর না। বাকিটুকু পরে দেখা যাবে।খেতে খেতে জানলাম আংকেল বাসাতে আসবেন পনের দিন পর। এই কয়দিন ও বাসাতে একাই। আরও জানলাম আমাকে ওর সাথে প্রায় দুইদিন আর তিন রাত থাকতে হইতেছে।সন্ধ্যায় আমি সপ্নার রুমে খাটে শুয়ে শুয়ে টিভি দেখছিলাম। ও কিচেনে রাতের খাবার বানাচ্ছিল। ওর রুমটা অনেক সুন্দর করে সাজানো গুছানো। দেখেই বুঝা যায় একটা মেয়ের রুম। ডাবল বেডের বক্স খাট। খাটটা আবার অনেক নরম ছিল। শুইলে পুরা শরীর ঢুকে যায়। বিছানার সামনে একটা সিঙ্গেল কাউচ রাখা। সেটার পাশে আবার একটা হোম থিয়েটার। দেয়ালে রেক্টিংগুলার প্লাজমা টিভি। ২৭ ইঞ্চি হবে মনে হয়। তখনও এই গুলা আমাগো দেশে খুব প্রচলিত ছিল না। আংকেল মাঝে মাঝে বিদেশ গেলে নিয়ে আসতেন । ওর রুমের ডান দিকে মানে পূর্ব দিকে একটা বড় ব্যলকনি ছিল আর থাই গ্লাসের বিশাল জানালা। ওদের ফ্ল্যাটটার সবচেয়ে সুন্দর রুম মনে হয় সপ্নারটাই। রুমের ডিস্টেম্বারের সাথে ম্যাচ করে হালকা গোলাপি রঙের পর্দা লাগান হয়েছিল জানালাতে। পর্দা গুলা আবার খুব মোটা। বিছানার চাদরও হালকা গোলাপি কালারের ছিল। একটা এ.সি ও লাগানো হয়েছিল। যেটাকে ওর রুমে কিছুটা বেমানান লাগছিল । ব্যলকনি,জানালার পর এ.সি’র কোন দরকারই ছিল না। হয়ত ওটাও একটা বিলাসিতা ছিল।একটু পর ও এসে বলল, “বুজলা, বাসাতে বুয়া নাই। এজন্য সবকিছু নিজের হাতেই করতে হইতেছে। তোমারে সময় দিতে পারতেছি না।” আমি কিন্তু bore হইতেছিলাম না। তারপর বলল, “চা খাবা নাকি কফি?Besides, he earned Best Supporting Actor award for the films, Bhalobaslei Ghor Bandha Jay Na (2010) and Ke Apon Ke Por (2011).সেদিন সকালে আমার ঘুম ভেঙ্গেছিল সকাল সাড়ে আটটায়। আমার যতটুকু মনে পড়ে হলের জীবনে আমি কোনদিন একটু শান্তি মত ঘুমাইতে পারি নাই। ন’টার বেশি তো কোন দিনই না। ঐদিন এমনিতেই বাহিরে কি একটা বিষয় নিয়ে পোলাপাইন বেশ হাউকাউ লাগাইছিল। তারপর উপর রুমের দরজাটাও খোলা ছিল। আবার এদিকে ছিল রুমের ছোট ভাইটার অত্যাচার। ও তখন ফার্স্ট ইয়ারে ছিল । যতক্ষণ সে রুমে থাকত ততক্ষণ ঘটঘট করে পড়ত । পুরা রুম ফাটায় ফালাইত। কত বুঝাইছি ওরে, “ভাইয়া, একটু আস্তে আস্তে পড়।” কিন্তু কার কথা কে শুনে। ওর নাকি জোরে জোরে না পড়লে পড়া মুখস্ত হয় না। আরে ভাই আমরা কি পড়ি নাই?”–Obviously সেক্সের এঙ্গেল থেকে।মাল ছাড়ার কিছুক্ষণ পর,এই দশ পনের মিনিট পর আমার বাড়াটা সবসময় প্রমান সাইজ থেকে একটু বেশিই ছোট হয়ে যায়। লম্বায় কানি আঙ্গুলটার মত হয়ে যায়। কথা বলতে বলতে ও আমার বাড়াতে হাত দিল। দিয়েই চমকে শোয়া থেকে উঠে বসে পড়লো। চোখ বড় বড় করে বলল, “তোমার বাড়াটা এত ছোট হয়েছে কিভাবে?”আমি হেসে বললাম, “মাল ছাড়ার পর এটা একটু ছোট হয়ে যায়।”ও হাসতে হাসতে বলল, “খুবই মজার জিনিস তো। একটু আগেও আমি দেখলাম প্রায় ছয় ইঞ্চির একটা এত বড় একটা জিনিস। সেটা এখন মাত্র আড়াই ইঞ্চি হয়ে গেল?We do not own, produce or host the videos displayed on this website. We have no control over the content of these websites.We take no responsibility for the content on any website which we link to, please use your own discretion while surfing the links.”আমি বললাম, “চা ই দাও। Deep sugar with light liquor.”–“ঠিক আছে,আমি আনতেছি। তারপর দুইজনে মিলে গল্প করবো।” এই বলে ও চা আনতে গেল।আমি স্পোর্টস চ্যানেল গুলা খুজতেছিলাম। HBO Cross করার সময় দেখলাম, টাইটানিক দেখাইতেছে। আমি HBO তে একটু hold করছিলাম। ঠিক ঐ মুহূর্তে সপ্না চা এর মগ হাতে এসে ঢুকল। টিভিতে চোখ দিয়েই চিৎকার করে হাত নাড়তে নাড়তে বাচ্চা মেয়েদের মত বলে উঠল, “টাইটানিক, টাইটানিক আমি দেখবো, আমি দেখবো।” তার হাতে যে চা আছে সেটার কথা সে একদমই ভুলে গেল। ফলে যা হবার তাই হল। খানিকটা চা পড়ে গেল নিচে।চা খাওয়া হলে আমরা দুইজন এক কাঁথার নিচে লাইট নিভিয়ে জড়াজড়ি করে মুভিটা দেখলাম। কাঁথাটা কিভাবে আসল সেটা একটু বলি। মুভিটা দেখার জন্য নাকি খুব রোমান্টিক পরিবেশ লাগে। সপ্নার কথা। তাই সে তখন এ.সি’তে রুম টেম্পারেচার ২০ ডিগ্রী তে সেট করে দিল। ওর বক্স খাটের ড্রয়ার থেকে একটা কাঁথা বের করে গায়ে দিয়ে আমাকে জড়িয়ে পুরো মুভিটা শেষ করল। আমিও খুব এনজয় করেছিলাম মুভিটা। টাইটানিক আগেও দেখছি এই ঘটনার পরেও দেখছি। কিন্তু ঐ বারের মত মজা পাই নাই।মুভিটা শেষ করে সাড়ে ন’টার দিকে আমরা খেতে বসলাম। ও কাচ্চি বিরানী রান্না করছিল । অনেক মজা হয়েছিল। খেয়েছিলামও প্রচুর। সপ্না কথায় কথায় বলল ওর আব্বু নাকি রেড সেভেন এনেছে। আর সেটা তখন ওদের ফ্রিজেই ছিল। আমি শুনে তো খুশি। যাক অনেক দিন পরে খাওয়া যাবে। খাওয়া শেষ করে আমরা ফ্রিজ থেকে ওয়াইনের বোটল আর গ্লাস নিয়ে সপ্নার বেডরুমে গিয়ে বসলাম। দুজন মিলে গল্প করছিলাম। তখন বাজে সাড়ে দশটার মত। হঠাৎ কথা উঠল সেক্স নিয়ে ।–আচ্ছা,রিশাত,তুমি কি পর্ণোমুভি দেখ?–হ্যাঁ,দেখি মানে দেখার চেষ্টা করেছিলাম কয়েকবার।–কেন? –দেখে ভাল লাগে না। সবগুলাই একরকম। কোন ভিন্নতা নাই। একঘেয়ে।–“তোমার তাহলে ভিন্নতাও দরকার,না?Only our free Akhi Alamgir Bangladeshi Singer Sex Scandal porn tube have a tons of free high quality 1080p and 720p sex films in Stream TV format. He won Bangladesh National Film Award for Best Actor seven times for his roles in the films, Ma O Chhele (1985), Apeksha (1987), Khotipuron (1989), Moroner Pore (1990), Pita Mata Santan (1991), Andha Biswas (1992) and Desh Premik (1994).

590 comments

  1. XVIDEOS Bangladeshi singer akhi alomgir sex free. the best free porn videos on internet. bd singer akhi alomgir sex video sexwap24.

  2. Singer Akhi Alomgir. Bangladeshi Singer Akhi Alomgir Xnxx Videos Porn Movies. Indian Sex Desi Porn Hot More Desi Videos Visit Hotporndesi.com;

  3. Watch Bangladeshi Akhi Alamgir porn videos for free, here on Sort movies by Most Relevant and catch the best Bangladeshi Akhi Alamgir movies now!

  4. Bangladesh Singer Akhi Alamgir Xxx Porn Movies Real Akhi Alamgir; Mz Wife And Me Ii; Desi Fat Girl Xxx Video; Richard Tyreak - Can U Handle It xxx Rated Music Video.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*